ডাইরির শেষ পাতা
“লেখাগুলা লিখতে খুব কষ্ট হচ্ছে। শরীরে আর এক ফোটাও শক্তি নেই। চোখগুলা বন্ধ হওয়ার জন্য জোরাজুরি করছে। তবুও আমি লিখছি, কি লিখছি কিছুই জানি না। শুধু জানি এই লেখাটা শেষ করে যেতে হবে। জলের মত রক্ত পড়ছে। ভাবতেই অবাক লাগে যেই আমি কোরবানির সময় গরুর রক্ত দেখলেও শিউরে উঠতাম, সেই আমি কিভাবে এখনও বেঁচে আছি। রাত চারটা বেজে দুই মিনিট। পাশের ঘরে বাবা মা নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। আর আমি… মারা যাচ্ছি। কাউকে যে ডাকব সেই শক্তি ও সাহস কোণটাই নেই।ঘড়ীর কাটার স্পষ্ট শব্দগুলো প্রতি সেকেন্ডে মনে করিয়ে দিচ্ছে, আর বেশি সময় নেই। খুব বাঁচতে ইচ্ছা করছে। খুব। সবাইকে আরেকবার দেখতে ইচ্ছা করছে। চোখের সামনে শুধু শেষবার দেখে আসা সমুদ্রের ঢেউগুলা ভাসছে। বেঁচে থাকলে হয়তো আবার বেড়াতে যেতাম। মাত্র দু মিনিট আগেও আমি মৃত্যুর জন্য প্রার্থনা করছিলাম। একটা মানুষ কখন মৃত্যুর জন্য প্রার্থনা করে জানেন?? যখন নিজের কাছে নিজের জিবনের আর কোন মূল্য থাকেনা। আমার কাছে জীবন মানে ছিল এক চাপা ডিপ্রেশনের নাম। তাই কেটে দিয়েছি। হুম রান্নাঘর থেকে ধারালো ছুরিটা এনে আমি আমার হাতের রগ কেটে দিয়েছি। সবকিছু এখনো দুরসপ্নের মত লাগছে। মনে হচ্ছে কিছুক্ষণ প...