পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আয়না- Mirror

সারারাত ধরে বৃষ্টি হল। এত প্রবল বৃষ্টি শহরবাসি খুব কমই দেখছে। বৃষ্টির শব্দ আর সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকের কান্না মিলে একাকার। দুজনেই নিজের শক্তি জাহির করার চেষ্টা করছে। শেষটায় নবজাতকের পরাজয় ঘটল। বৃষ্টি একাই অবিরাম ভাবে চলতে লাগলো। একটা সময় সকাল হল, বৃষ্টি থামল। শহরের মানুষ আবার ব্যস্ত হয়ে পড়ল নিজেদের নিয়ে। নবজাতকের কথা তাদের মনেই রইল না। রাস্তার এক পাশে সে পরে রইল নিজের মত করে। একসময় ঠাণ্ডায় তার নিউমোনিয়া হয়ে গেল। এখান আর তার কান্নার শক্তি নেই, সে ঘুমিয়ে পড়ল। ধরাধরি করে সে এবার হসপিটালেও পৌঁছে গেল। ডাক্তার মইনুদ্দিন তার কপালে হাত রেখে স্নেহের দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে রইলেন। নবজাতক তার হাতের স্পর্শ পেয়ে ছোট ছোট চোখ খুলে তাকাল। যদিও এতো ছোট বাচ্চা হাসতে পারে না , তবুও মইনুদ্দিনের মনে হল নবজাতক তার দিকে তাকিয়ে মলিনভাবে হাসল।     এ ঘরের একটি বাচ্চার নাম আয়না এবং পুরো বাড়িতে কোন আয়না নেই। তার একটিই কথা আমি থাকতে এ বাড়িতে আর কোন আয়না থাকতে পারবে না। মইনুদ্দিন তার বিশাল বাড়িতে কোন আয়না রাখেন নি। আয়না অনেক অদ্ভুত খেলা খেলে। সে অনেক অদ্ভুত কিছুও লিখে যা একমাত্র আয়না ছাড়া পড়া সম্ভব নয়...